Posts

আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে কবি সজিবের নতুন কবিতা প্রকাশ

Image
ডেস্ক রিপোর্ট|| বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে নতুন করে আলোড়ন তুলেছেন তরুণ কবি ক্বারী মুহাম্মদ আব্দুর রহমান আল সজিব। তাঁর রচিত সমসাময়িক প্রেক্ষাপটভিত্তিক হৃদয়স্পর্শী কবিতা “বাঁধভাঙা বেদনা” সম্প্রতি ভারত-বাংলাদেশের কবি ও সাহিত্যিকদের অন্যতম বৃহৎ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম বাংলা কবিতা ডট কম-এ প্রকাশিত হয়েছে। কবিতাটিতে বৈশাখী ঝড়, হাওরের বাঁধ ভেঙে পানি প্রবেশ এবং সুনামগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকদের দুর্দশার চিত্র অত্যন্ত জীবন্তভাবে ফুটে উঠেছে। “সারা বাংলাদেশ ডুবছে আজ”—এই পংক্তির মাধ্যমে কবি বর্তমান পরিস্থিতির গভীর বেদনা ও বাস্তবতাকে তুলে ধরেছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, কবিতাটি কেবল একটি সাহিত্যকর্ম নয়, বরং এটি একটি সামাজিক প্রতিবাদ ও মানবিক আবেদন। কৃষকের কান্না, ফসলহানির বেদনা এবং প্রকৃতির নির্মম রূপ—সবকিছুই কবির কলমে শক্তিশালীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। কবি ক্বারী মুহাম্মদ আব্দুর রহমান আল সজিব ইতোমধ্যে বাংলা সাহিত্য জগতে নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁর কবিতা পাঠকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রশংসিত হচ্ছে। সাহিত্যপ্রেমীদের মতে, “বাঁধভাঙা বেদনা” বর্তমান সময়ের একট...

অর্থের ঊর্ধ্বে হারিয়ে যাওয়া আত্মীয়তা: আধুনিক সমাজের নীরব সংকট”

Image
 “অর্থের ঊর্ধ্বে হারিয়ে যাওয়া আত্মীয়তা: আধুনিক সমাজের নীরব সংকট'' সমাজ আজ এক অদ্ভুত সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। বাহ্যিক উন্নতির ঝলক যতই বাড়ছে, ভেতরের নৈতিক ভিত্তি ততই নড়বড়ে হয়ে পড়ছে। প্রযুক্তি আমাদের হাতে বিশ্বকে এনে দিয়েছে, কিন্তু মানুষকে মানুষ হিসেবে ধরে রাখার বন্ধনগুলো কোথাও যেন ধীরে ধীরে ছিঁড়ে যাচ্ছে। আজ সত্যের চেয়ে গুজব দ্রুত ছড়ায়, ন্যায়ের চেয়ে প্রভাবশালী কণ্ঠ বেশি শোনা যায়। মানুষের মূল্যায়ন হয় তার চরিত্রে নয়, বরং তার অবস্থান, অর্থ বা সামাজিক উপস্থিতিতে। সম্পর্কগুলোও অনেক ক্ষেত্রে অনুভূতির চেয়ে স্বার্থের উপর দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাড়ছে, কিন্তু জ্ঞানের সঙ্গে নৈতিকতার সংযোগ অনেক জায়গায় দুর্বল। তরুণ প্রজন্ম স্বপ্ন দেখে ঠিকই, কিন্তু সেই স্বপ্নকে স্থায়ী ভিত্তি দেওয়ার মতো আদর্শ অনেক সময় অনুপস্থিত থাকে। ফলে এক ধরনের মানসিক অস্থিরতা সমাজে ছড়িয়ে পড়ছে—কে কোথায় যাচ্ছে, কেন যাচ্ছে, তা অনেক সময় নিজের কাছেই অস্পষ্ট। তবুও সব অন্ধকারের মাঝেও আলো আছে। এখনো কিছু মানুষ আছে যারা সততা ধরে রেখেছে, দায়িত্ব পালন করছে নীরবে, মানবিকতাকে বাঁচিয়ে রাখছে। সমাজ পুরোপুরি ভেঙে যায়নি—শুধু পুনর্গঠনে...

জীবন—এক অনন্ত কাব্য

 জীবন—এক অনন্ত কাব্য, যার ছন্দে লুকিয়ে আছে কান্না ও হাসির গভীর সমন্বয়। এখানে প্রতিটি ভোর এক নতুন সম্ভাবনার বার্তা আনে, আর প্রতিটি রাত শিখিয়ে যায় ধৈর্যের নিঃশব্দ পাঠ। মানুষ জীবনের পথে হেঁটে চলে স্বপ্নের আলো হাতে নিয়ে— কখনো সে আলো দীপ্ত হয়ে ওঠে, কখনো নিভে যায় ঝড়ের দমকে। তবুও মানুষ থামে না; কারণ তার ভেতরে আছে পুনর্জাগরণের এক অদম্য শক্তি। জীবন আমাদের অনেক কিছু দেয় না— বরং আমাদের গড়ে তোলে, ভাঙে, আবার নতুন করে নির্মাণ করে। প্রতিটি ব্যথা এক একটি শিক্ষা, প্রতিটি হারানো এক একটি উপলব্ধি। আমরা যা চাই, সব সময় তা পাই না— কিন্তু যা পাই, তা-ই আমাদের জন্য নির্ধারিত এক বিশেষ রহমত। আল্লাহর পরিকল্পনা নিখুঁত, যদিও তা আমাদের চোখে সবসময় স্পষ্ট হয় না। তাই জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে কৃতজ্ঞতায় ভরিয়ে তুলুন, নিজেকে উন্নত করুন, অন্যকে ভালোবাসুন, এবং বিশ্বাস রাখুন— এই ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার মাঝেই লুকিয়ে আছে চিরস্থায়ী সফলতার পথ। ______________________________________ ~কবি ক্বারী মুহাম্মদ আব্দুর রহমান আল সজিব প্রায় ২০টি জাতিসংঘ-ইউএনসিসি-জার্মান সরকার সহ আন্তর্জাতিকসংস্থা ও একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক স্বীকৃতি প্রাপ্ত।...

কবি ক্বারী মুহাম্মদ আব্দুর রহমান আল সজিব সবাইকে জানালেন ঈদুল-ফিতরের শুভেচ্ছা 🌙

Image
কবি ক্বারী মুহাম্মদ আব্দুর রহমান আল সজিব সবাইকে জানালেন ঈদুল-ফিতরের শুভেচ্ছা 🌙 এডমিন ডেস্ক|প্রকাশকাল: চাঁদ রাত |সময়: রাত ১২টা ১১মিঃ পবিত্র ঈদুল-ফিতরের আনন্দ ও সুখের মুহূর্তে শুভেচ্ছা জানালেন জাতিসংঘ, ইউনিসেফ, ইউএনডিপি, জার্মান সরকারসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সুপরিচিত সংস্থা এবং একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি Accenture কর্তৃক বহু ক্ষেত্রে স্বীকৃতি ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, ব্যক্তিত্বে উদ্ভাসিত, কবি, লেখক ও সমসাময়িক চিন্তাবীদ ক্বারী মুহাম্মদ আব্দুর রহমান আল সজিব। তিনি তাঁর বার্তায় মানবিক মূল্যবোধ, ভ্রাতৃত্ব এবং শান্তির উপর গুরুত্বারোপ করেছেন। ক্বারী সজিব বিশেষভাবে ধণীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যাতে তারা যথাসম্ভব যাকাত ও ফিতরা আদায় করে সমাজের গরীব, দু:খী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান। এর মাধ্যমে ঈদুল-ফিতরের আনন্দ শুধু ব্যক্তিগত আনন্দ হিসেবে সীমাবদ্ধ না থেকে সমাজের সকল স্তরে ছড়িয়ে পড়ে। ক্বারী সজিব বলেছেন, ঈদ কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি একটি সামাজিক বন্ধন, যা ধনী ও দারিদ্র্য সীমার মানুষের মধ্যে মানবিক সহমর্মিতা ও সামাজিক সংহতি গড়ে তোলে। তিনি সকলকে উৎসাহিত করেছেন যেন ধণী, গরীব এবং দু...

The Spiritual Revolution of Fasting

Image
🌙 The Spiritual Revolution of Fasting ✍ কবি ক্বারী মুহাম্মদ আব্দুর রহমান আল সজিব 📌 Category: Islamic Poetry | Ramadan | Spiritual Reflection 📅 Published: 2026 🔐 একক সত্ত্বাধিকারী | All Rights Reserved ✨ কবিতা:  সিয়াম — অন্তরের বিপ্লব নিশ্চুপ আকাশে আজ নামছে আত্মশুদ্ধির বৃষ্টি, ভাঙছে অহংকার, মুছে যায় পাপের পুরোনো দৃষ্টি। ক্ষুধার আগুনে জ্বলে মানবতার নীরব চেতনা, সংযমের পথে খুঁজে পায় হৃদয় তার ঠিকানা। রহমতের ছায়ায় হাঁটে বান্দা রবের ডাকে সাড়া, ইফতারের খুশি যেন জান্নাতি শান্তির ধারা। সেহরির নীরবতায় জাগে ইমানের মধুর গান, দু’হাত তুলে চায় সে মাগফিরাত, চায় অনুগ্রহ-দান। লোভ আর গর্ব ঝরে পড়ে রোজার কঠিন শাসনে, সত্যের আলো জ্বলে ওঠে অন্তরের আকাশে বাসনে। অশ্রুর ফোঁটায় লেখা থাকে দোয়ার গোপন ভাষা, ক্ষমার আশায় কাঁপে মন — জাগে নতুন প্রত্যাশা। এই সাধনার স্রোতে গড়ে ওঠে মানবতার বাণী, ত্যাগের পাঠ শেখায় রোজা, করে আত্মাকে প্রাণী থেকে মানী। সময়কে সাক্ষী রেখে লিখি আমি সজিবের স্বপ্নগাথা, ক্বারী মুহাম্মদ আব্দুর রহমান আল সজিব — সত্যের পথে অটল কথা। 🔐 সত্ত্বাধিকার ঘোষণা © 2026 কবি ক্বারী মুহাম্মদ আব্দুর রহমান আল ...

রমাদ্বানুল মোবারক: তাকওয়া, কুরআন ও কিয়ামের মাস

Image
https://sajib-thewriter.blogspot.com/2026/02/blog-post.html   লিখেছেন: কবি ক্বারী মুহাম্মদ আব্দুর রহমান আল সজিব (দা.বা.), সমসাময়িক চিন্তাবীদ।  রমাদ্বানুল মোবারক মুসলিম উম্মাহর জন্য রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। এটি কেবল রোজা রাখার মাস নয়; বরং আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া অর্জন এবং কুরআনের সাথে সম্পর্ক নবায়নের এক অনন্য সময়। এই মাসে মানুষ নিজের ভেতরের মানুষটিকে খুঁজে পায়, নফসের সাথে সংগ্রাম করে এবং রবের সান্নিধ্য লাভের চেষ্টা করে। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন: “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর—যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার।” — সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১৮৩ এই আয়াত আমাদের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় যে রমাদ্বানের মূল উদ্দেশ্য তাকওয়া। তাকওয়া মানে শুধু গুনাহ থেকে দূরে থাকা নয়; বরং আল্লাহর উপস্থিতি ও জবাবদিহিতার অনুভূতি হৃদয়ে জাগ্রত রাখা। আরও বলা হয়েছে: شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِي أُنزِلَ فِيهِ الْقُرْآنُ هُدًى لِّلنَّاسِ وَبَيِّنَاتٍ مِّنَ الْهُدَىٰ وَالْفُرْقَانِ ۚ فَمَن شَهِدَ مِنكُمُ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ ۖ وَمَن كَانَ مَرِيضًا أَوْ عَلَىٰ سَفَر...

শব-ই-বরাত: রহমত, ক্ষমা ও আত্মশুদ্ধির রাত — একটি গবেষণামূলক বিশ্লেষণ

Image
 লেখক: কবি ক্বারী মুহাম্মদ আব্দুর রহমান আল সজিব পরিচিতি: সমসাময়িক চিন্তাবীদ, সাবেক সহকারী শিক্ষক (রসায়ন বিজ্ঞান) – ব্রিটানিকা উইমেন্স কলেজ, এম.হোসেন স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট ভূমিকা ইসলামী সমাজে শাবান মাসের ১৫ তারিখের রাত, যাকে আমরা শব-ই-বরাত নামে জানি, এটি আত্মশুদ্ধি, ক্ষমা প্রার্থনা এবং আল্লাহর রহমতের প্রতি বিশেষ রাত হিসেবে পরিচিত। প্রাচীন সাহাবা ও সালাফগণ এই রাতে ইবাদতে অতিবাহিত করতেন। যদিও কুরআনে সরাসরি এই রাতের উল্লেখ নেই, হাদিস, ইতিহাস এবং তাসাউফী সাহিত্য থেকে আমরা এর গুরুত্ব বোঝতে পারি। কুরআনের প্রেক্ষাপট শব-ই-বরাতের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত উল্লেখ নেই, তবে অনেক mufassir এই রাতকে কিছু আয়াতের আলোকে ব্যাখ্যা করেছেন। সূরা আদ-দুখান (44:4) আরবি: فِيهَا يُفْرَقُ كُلُّ أَمْرٍ حَكِيمٍ অনুবাদ: “এই রাতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয় নির্ধারিত হয়।” ব্যাখ্যা: তাফসিরে বলা হয়েছে, শাবানের মধ্যবর্তী রাতকে আল্লাহর পক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নির্ধারণের সময় হিসেবে দেখা যায়, যা মানুষের ভাগ্য ও রিযিকের সাথে সম্পর্কিত। (তাফসির ইবনে কাছীর, 3/98) হাদিসের আলোকে শব-ই-বরাত হাদিস ১: ক্ষমার রাত আরবি: ا...